
আপনার পছন্দের ভাষা বেছে নিন
প্রতিলিপিরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কবিতা "ছেলেটা" পাঠ করে শোনাচ্ছি আমি পলা ভৌমিক ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কবিতা "ছেলেটা" পাঠ করে শোনাচ্ছি আমি পলা ভৌমিক ।
আমি পড়তে ভালোবাসি। বেশি ভাষা জানিনা বলে কত ভালো লেখা পড়া হলোনা। আর বাংলাতেও এতো সব লেখা আছে যা একজীবনে পড়া সম্ভব না। মনের এসব কথা কাউকে বলাও যায় না। তাই মাঝে মধ্যে একটু লিখতাম। প্রতিলিপিতে এসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। Writer, student, lover এসব কথার gender ব্যবহার করার পক্ষপাতী আমি কোনোদিনই নই। বরং একটু খানি খারাপ লাগে বললেই ঠিক বলা হয়। এতদিন জানতাম বর্তমান নাকি অতীতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। তাই তো আমাদের ইতিহাস পড়তে হয়। আর এটা ভবিষ্যতের জন্যে খুব দরকারও বটে। কৃষ্টি, সংস্কৃতি অতীতের থেকেই পরিমার্জিত হতে হতে এখনও টিকে আছে তো এভাবেই । ভারতীয় সংস্কৃতিতে লয়, ছন্দ, কবিতা, গানের ইতিহাস বহু পুরোনো। বেদের শ্লোক থেকে শুরু করে, রামায়ন, মহাভারত সব কিছুই তো লেখা হতো কবিতায়। কিন্তু গদ্যময় এই পৃথিবীতে আজকাল কবিতাকে হেয় করে দেখা হয়। কবিতা লিখে প্রতিলিপিতে নাকি রোজগার করা সম্ভব নয় ! অনেকেরই আজকাল হয়েছে ভ্রান্ত ধারণা_____ lover ক্রাশ খেয়ে নাকি শেষে poet হয়। যেমন বলা হয়, মানুষ মরে গিয়ে ghost হয়। কিন্তু এসব তো গুজব, এসব ফালতু কথায়, কান দেওয়া একদম উচিত নয়। যে কজন মুষ্টিমেয় মানুষ এখনও আছে, কবিতা ভালোবাসে, কবিতার ভালো মন্দ বোঝে, পাঠকের মধ্যে তাঁদেরও তো একটা স্থান আছে ! তাঁদের মতামতের নিশ্চয়ই একটু হলেও দাম আছে, লেখকের হৃদয়ে হয়তো তাঁরা বাসা বেঁধে আছে ! তাঁদের মতোই আমার একটা আবদার আছে। সকলের হয়ে একটা প্রশ্ন রাখি প্রতিলিপির কাছে, কেন ? কেন ? কেন এই অবিচার ? এই অন্যায় ? গদ্য ও পদ্য নিয়েও শেষে হবে সাহিত্যের লড়াই ? কবিতায় কথা বলা কি কোনো গুণ নয় ? প্রতিলিপি ভাই, এভাবে কবিতাকে হেনস্থা ঠিক নয়, ভাবো, পাখির সুর আকৃষ্ট করেছিলো একসময়। তাই দেখে ধীরে ধীরে মানুষ শীষ দিতে শেখে, সরু সরু বাঁশ কেটে তাই দিয়ে বাঁশী বানায়। ভাষা সৃষ্টির পর তা দিয়ে কবিতা লেখে, গান গায় ! তাই বলে কি মানুষ শীষ দিতে ভুলে গেছে ? তা নয়, শীষকে আজকের দিনেও "বাঁশ ছাড়া বাঁশী" বলা হয়। গানের সাথে বাঁশী বাজলে, থেকে যায় সুরের রেশ, চেন্নাই শহরের মেয়ে শ্বেতা সুরেশ, শীষ দেয় বেশ ! শুধু তাই নয়, শীষ দিয়ে ঐ মেয়ে গান গায়, মাত্র বছর ছয়েক আগে করেছে সে পৃথিবী জয়। জানিনা তোমার চোখে কবিতা কেমন লাগে, আমার তো কবিতাকে বাঁশীর সুরের মতোই মনে হয়।
আমি পড়তে ভালোবাসি। বেশি ভাষা জানিনা বলে কত ভালো লেখা পড়া হলোনা। আর বাংলাতেও এতো সব লেখা আছে যা একজীবনে পড়া সম্ভব না। মনের এসব কথা কাউকে বলাও যায় না। তাই মাঝে মধ্যে একটু লিখতাম। প্রতিলিপিতে এসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। Writer, student, lover এসব কথার gender ব্যবহার করার পক্ষপাতী আমি কোনোদিনই নই। বরং একটু খানি খারাপ লাগে বললেই ঠিক বলা হয়। এতদিন জানতাম বর্তমান নাকি অতীতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। তাই তো আমাদের ইতিহাস পড়তে হয়। আর এটা ভবিষ্যতের জন্যে খুব দরকারও বটে। কৃষ্টি, সংস্কৃতি অতীতের থেকেই পরিমার্জিত হতে হতে এখনও টিকে আছে তো এভাবেই । ভারতীয় সংস্কৃতিতে লয়, ছন্দ, কবিতা, গানের ইতিহাস বহু পুরোনো। বেদের শ্লোক থেকে শুরু করে, রামায়ন, মহাভারত সব কিছুই তো লেখা হতো কবিতায়। কিন্তু গদ্যময় এই পৃথিবীতে আজকাল কবিতাকে হেয় করে দেখা হয়। কবিতা লিখে প্রতিলিপিতে নাকি রোজগার করা সম্ভব নয় ! অনেকেরই আজকাল হয়েছে ভ্রান্ত ধারণা_____ lover ক্রাশ খেয়ে নাকি শেষে poet হয়। যেমন বলা হয়, মানুষ মরে গিয়ে ghost হয়। কিন্তু এসব তো গুজব, এসব ফালতু কথায়, কান দেওয়া একদম উচিত নয়। যে কজন মুষ্টিমেয় মানুষ এখনও আছে, কবিতা ভালোবাসে, কবিতার ভালো মন্দ বোঝে, পাঠকের মধ্যে তাঁদেরও তো একটা স্থান আছে ! তাঁদের মতামতের নিশ্চয়ই একটু হলেও দাম আছে, লেখকের হৃদয়ে হয়তো তাঁরা বাসা বেঁধে আছে ! তাঁদের মতোই আমার একটা আবদার আছে। সকলের হয়ে একটা প্রশ্ন রাখি প্রতিলিপির কাছে, কেন ? কেন ? কেন এই অবিচার ? এই অন্যায় ? গদ্য ও পদ্য নিয়েও শেষে হবে সাহিত্যের লড়াই ? কবিতায় কথা বলা কি কোনো গুণ নয় ? প্রতিলিপি ভাই, এভাবে কবিতাকে হেনস্থা ঠিক নয়, ভাবো, পাখির সুর আকৃষ্ট করেছিলো একসময়। তাই দেখে ধীরে ধীরে মানুষ শীষ দিতে শেখে, সরু সরু বাঁশ কেটে তাই দিয়ে বাঁশী বানায়। ভাষা সৃষ্টির পর তা দিয়ে কবিতা লেখে, গান গায় ! তাই বলে কি মানুষ শীষ দিতে ভুলে গেছে ? তা নয়, শীষকে আজকের দিনেও "বাঁশ ছাড়া বাঁশী" বলা হয়। গানের সাথে বাঁশী বাজলে, থেকে যায় সুরের রেশ, চেন্নাই শহরের মেয়ে শ্বেতা সুরেশ, শীষ দেয় বেশ ! শুধু তাই নয়, শীষ দিয়ে ঐ মেয়ে গান গায়, মাত্র বছর ছয়েক আগে করেছে সে পৃথিবী জয়। জানিনা তোমার চোখে কবিতা কেমন লাগে, আমার তো কবিতাকে বাঁশীর সুরের মতোই মনে হয়।
রিপোর্টের বিষয়