pratilipi-logo প্রতিলিপি
বাংলা

চরিত্র

4.0
2808

কিছুদিন যেতেই সুস্মিতা বুঝলো সুমিত তাকে সময় দিতে পারেনা, অফিসের চাপ এত বাড়ছে যে বাড়ি ফেরে শুধু খাওয়া ও ঘুমের জন্যে। সুমিতের সান্নিধ্য না পেয়ে সুস্মিতাও দিন দিন কেমন শীর্ণ হয়ে পড়ছিলো, অবশেষে সে ...

এখন পড়ুন
লেখক পরিচিতি
author
সুমন দত্ত

মূর্তিশিল্পী, লেখক ও পরিচালক

রিভিউসমূহ
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Muhammad Rafiqul Islam Khan "Johnny"
    25 সেপ্টেম্বর 2020
    কিছু মেয়ে এগুলো করে। ঠকে এবং ঠকায়। গল্পের ইন্ট্রো সুন্দর করে শুরু করার পর তার গতি এবং গল্প বলার ঢং আকস্মিক কেমন যেন হয়ে যায়, যেটা ইন্ট্রোর সাথে খাপছাড়া লেগেছে। কেমন যেন একটা ছেদ ছেদ ভাব। আর কনক্লুশনে গিয়ে সুস্মিতার যেন একটা ক্ল্যারিফিকেশনের দরকার হয়ে যায় নিজের কাছে নিজেই। অথবা লেখকই কনফিউজড যে তিনি সুস্মিতার এই অবৈধতাকে বৈধতা দিবেন কিনা? যে সে চরিত্র সম্পর্ণ মেয়ে। যেন নিজেকে স্বান্তনা দিতে চাইছে, এতো দেখে শুনে বাছ বিচার করে শেষে মন্টার কপালে এ রকমই জুটলো বা জোটে। ধরাযাক, সুস্মিতার চরিত্র নিয়ে কথা বলার রাইট মন্টার (সুমিতের) নেই। কিন্তু সে বলতে পারে, মেয়েটা নোংরা। তার নিম্নাঙ্গটা দুই জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে । অনেক কিছুই সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়া যায়। প্যান্ট, শার্ট, গাড়ি, বাড়ি। কিন্তু ব্রা পেন্টি পাওয়া যায় না। এই গল্পের নায়িকাই অন্যের ব্যবহৃত ব্রা, পেন্টি পড়বে না। আর বেচারা মন্টা? গল্পের নাম মুক্ত জীবনের চাবিকাঠি অথবা কর্মফলের শিকার দিলে যৌক্তিক হতো। সুস্মিতা চরিত্র বলতে যা বোঝে সেটা বোঝাতে আরো ডিটেইলে যেতে হতো। যত দূর মনে হয়, যে যা করে তাই সে ফিরে পেতে পারে লেখকের ইন্ডিকেশন এরকম। সেজন্য কর্মফল অথবা কর্মফলের শিকার ঠিক হতো। আর সুস্মিতার দিক থেকে, একটা শূন্যতাপ্রবণ মেয়ের শূন্যতাপূরণে ব্যর্থ স্বামীর বিপরীতে পরিত্যক্ত প্রেমিকের আশ্রিত হয়ে মুক্তি চেয়েছে আত্মদমন কিংবা একাকীত্ব থেকে সেজন্য মুক্ত জীবনের চাবিকাঠি যুক্তিযুক্ত হতো। এই তো, লেখার জন্য ধন্যবাদ।
  • author
    22 মার্চ 2026
    nice
  • author
    Asima Majumder
    20 সেপ্টেম্বর 2021
    ভালো লাগলো বেশ
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Muhammad Rafiqul Islam Khan "Johnny"
    25 সেপ্টেম্বর 2020
    কিছু মেয়ে এগুলো করে। ঠকে এবং ঠকায়। গল্পের ইন্ট্রো সুন্দর করে শুরু করার পর তার গতি এবং গল্প বলার ঢং আকস্মিক কেমন যেন হয়ে যায়, যেটা ইন্ট্রোর সাথে খাপছাড়া লেগেছে। কেমন যেন একটা ছেদ ছেদ ভাব। আর কনক্লুশনে গিয়ে সুস্মিতার যেন একটা ক্ল্যারিফিকেশনের দরকার হয়ে যায় নিজের কাছে নিজেই। অথবা লেখকই কনফিউজড যে তিনি সুস্মিতার এই অবৈধতাকে বৈধতা দিবেন কিনা? যে সে চরিত্র সম্পর্ণ মেয়ে। যেন নিজেকে স্বান্তনা দিতে চাইছে, এতো দেখে শুনে বাছ বিচার করে শেষে মন্টার কপালে এ রকমই জুটলো বা জোটে। ধরাযাক, সুস্মিতার চরিত্র নিয়ে কথা বলার রাইট মন্টার (সুমিতের) নেই। কিন্তু সে বলতে পারে, মেয়েটা নোংরা। তার নিম্নাঙ্গটা দুই জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে । অনেক কিছুই সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়া যায়। প্যান্ট, শার্ট, গাড়ি, বাড়ি। কিন্তু ব্রা পেন্টি পাওয়া যায় না। এই গল্পের নায়িকাই অন্যের ব্যবহৃত ব্রা, পেন্টি পড়বে না। আর বেচারা মন্টা? গল্পের নাম মুক্ত জীবনের চাবিকাঠি অথবা কর্মফলের শিকার দিলে যৌক্তিক হতো। সুস্মিতা চরিত্র বলতে যা বোঝে সেটা বোঝাতে আরো ডিটেইলে যেতে হতো। যত দূর মনে হয়, যে যা করে তাই সে ফিরে পেতে পারে লেখকের ইন্ডিকেশন এরকম। সেজন্য কর্মফল অথবা কর্মফলের শিকার ঠিক হতো। আর সুস্মিতার দিক থেকে, একটা শূন্যতাপ্রবণ মেয়ের শূন্যতাপূরণে ব্যর্থ স্বামীর বিপরীতে পরিত্যক্ত প্রেমিকের আশ্রিত হয়ে মুক্তি চেয়েছে আত্মদমন কিংবা একাকীত্ব থেকে সেজন্য মুক্ত জীবনের চাবিকাঠি যুক্তিযুক্ত হতো। এই তো, লেখার জন্য ধন্যবাদ।
  • author
    22 মার্চ 2026
    nice
  • author
    Asima Majumder
    20 সেপ্টেম্বর 2021
    ভালো লাগলো বেশ