pratilipi-logo প্রতিলিপি
বাংলা

ধ্বংস যজ্ঞ

4.8
77

কি আর বলার আছে? সবাই ছুটে চলেছি ধ্বংস কে অভীষ্ট করে...

এখন পড়ুন
লেখক পরিচিতি

তরুণ দাস(মুর্শিদাবাদী) ভারতীয়। বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার এক প্রত‍্যন্ত গ্রাম দক্ষিণ গ্রামে। আমার গ্রাম জেলার সাগর দিঘী থানার অন্তর্গত।শিক্ষাগত যোগ‍্যতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমার্সে সাম্মানিক স্নাতক।সপ্তম শ্রেণীতে পঠন কালে প্রথম লেখা লেখির জগতে প্রবেশ করলেও ধরে রাখতে পারিনি।এখন আবার চেষ্টা করছি।মুলত কবিতা লিখতে পছন্দ করলেও ছোট গল্প প্রবন্ধ ও লিখি। কিন্তু কখনো লিখতে হবে ভেবে কিছু লিখিনা। সব সময় নিজেকে দূরে রেখে লিখতে পছন্দ করি।রূপক কবিতা পড়তে পছন্দ করলেও নিজে ভালো রূপক কবিতা লিখতে পারিনা।তবে চেষ্টা করি। যখন যেমন মনে হয় তখন সেই রকম লিখি।আর চেষ্টা করি সবাই কে খুশি করতে। প্রকাশিত যৌথ কাব‍্যগ্রন্থ ভালবাসার কাব‍্যকথা।হোয়াটস অ্যাপ নং ৯৭৩৩৮৯৫৭৩১।আমার ঠিকানা নাম:-তরুণ দাস। পিতা:-মৃত শান্তি দাস। গ্রাম পোস্ট:-দক্ষিণ গ্রাম(সাবিত্রী) থানা:-সাগরদিঘী জেলা:-মুর্শিদাবাদ পিন:-৭৪২২৩৫

রিভিউসমূহ
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Mayukh Halder
    26 فروری 2019
    ভীষণ সঙ্গত প্রশ্ন দাদা। আসলে রাজনীতিতে একটা দেশের মানুষ কতটা অজ্ঞ হলে কেন্দ্রে মোদি আর বঙ্গে দিদিকে ভোট দিয়ে ডেকে আনতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তো তারা এদের কথা শুনে লাফাবে সেটাই তো স্বাভাবিক। যুদ্ধ চাইবে রক্ত চাইবে। খুব নর্মাল ব্যাপার। কারণ এদের কেউ যুদ্ধে বা জঙ্গি হামলায় মারা যায় নি।
  • author
    জয়দীপা
    27 فروری 2019
    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে মরণখেলা শুরু হয়েছে, জানি না এর শেষ কোথায় ।তবে এই টার ও কিছু টা হয়ত দরকার ছিল । একজন আরেকজনের ওপর পায়ে পা তুলে ঝামেলা বাঁধাবে,রক্ত ঝরাবে,বারবার এটা মেনে নেওয়া যায় না ।
  • author
    Reaj Hossain
    26 فروری 2019
    কি আর করবো আমরা যারা আম জনতা ভাই, নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই, প্রতিবাদী কন্ঠের জন্য ধন্যবাদ জানাই।
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Mayukh Halder
    26 فروری 2019
    ভীষণ সঙ্গত প্রশ্ন দাদা। আসলে রাজনীতিতে একটা দেশের মানুষ কতটা অজ্ঞ হলে কেন্দ্রে মোদি আর বঙ্গে দিদিকে ভোট দিয়ে ডেকে আনতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তো তারা এদের কথা শুনে লাফাবে সেটাই তো স্বাভাবিক। যুদ্ধ চাইবে রক্ত চাইবে। খুব নর্মাল ব্যাপার। কারণ এদের কেউ যুদ্ধে বা জঙ্গি হামলায় মারা যায় নি।
  • author
    জয়দীপা
    27 فروری 2019
    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে মরণখেলা শুরু হয়েছে, জানি না এর শেষ কোথায় ।তবে এই টার ও কিছু টা হয়ত দরকার ছিল । একজন আরেকজনের ওপর পায়ে পা তুলে ঝামেলা বাঁধাবে,রক্ত ঝরাবে,বারবার এটা মেনে নেওয়া যায় না ।
  • author
    Reaj Hossain
    26 فروری 2019
    কি আর করবো আমরা যারা আম জনতা ভাই, নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই, প্রতিবাদী কন্ঠের জন্য ধন্যবাদ জানাই।