pratilipi-logo প্রতিলিপি
বাংলা

পুতুলের অভিমান

4.7
584

পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যপুস্তকে কবি নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের লেখা 'বিমলার অভিমান' কবিতাটি পড়াচ্ছিলাম সেদিন ক্লাসে। কবিতাটির সারবত্তা এরকম - বিমালা, খুব সাধারণ ঘরের ছোট্ট একটি মেয়ে। দাদা, ভাই এবং ...

এখন পড়ুন
লেখক পরিচিতি
author
পলাশ মজুমদার

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সাথে সখ্যতা। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে প্রথম কবিতা 'সংবাদ প্রতিদিন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়াও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নামী-অনামী পত্রিকায় অসংখ্য লেখা প্রকাশিত হয়েছে। ইতিমধ্যে 'বিশুদ্ধ পরকীয়া' , 'এবং শান্তিলতা' , 'এখানে চুমু নিষিদ্ধ নয়' নামে তিনখানি কাব্যগ্রন্থ এবং ' এখন ওখানে অনেক রাত' নামে একখানি গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। পেশা - শিক্ষকতা। বর্তমানে কবিতা লেখার পাশাপাশি ছোটগল্প, অণুগল্প, রম্য রচনা, মুক্ত গদ্য, উপন্যাস লেখা সমানতালে চলছে। স্বনামধন্য 'দেশ' পত্রিকাতেও লেখা বেরিয়েছে। WhatsApp no - 7890929338 Facebook id - পলাশ মজুমদার।

রিভিউসমূহ
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    30 ஜூன் 2020
    পড়ার আগে মনে করেছিলাম যে করেই হোক ভুল বাহির করে পাচ তারা না দিয়ে তিন তারা দিবো।কিন্তু সত্যি বলতে পড়ার পর পাচ তারা না দিয়ে পারলাম না। যেখানে মায়েরা নিজেদের কষ্ট বুঝে না,নিজেরা মেয়ে হয়েও নিজেদের নিচু করে দেখাতে চায় সেখানে সেই নারী জাতি মাথা তুলতে পারবে সেটা আশা করা যায় না। ছেলেদের এই বলে আদর সোহাগ করে যে তারা চাকরি করে বাবা-মা কে দেখবে।কিন্তু সেই ছোট্ট উপেক্ষিত মেয়েটির আত্মার অভিশাপ কি সেই মায়ের লাগবে না? ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য স্যার। জানেন আমাদের দেশে "মিনা,রাজু,মিঠু"নামের একটি কার্টুন আছে যেটা দেখেই বড় হওয়া আমাদের।সেই কার্টুনের একটি পর্বে এই প্রেক্ষাপট নিয়ে বলা হয়েছিল।
  • author
    anwesha bisai
    11 ஜூலை 2020
    কি বললে , গল্পটির প্রতি যথাযথ বক্তব্য বলা হবে বুঝে উঠতে পারছি না !!! আমরা মেয়েরাই বোধহয় সব কিছুর মূলে !! ভাঙ্গা গড়া সবই তো আমাদের হাতে ,তাহলে কেনো পুতুলরা অবিচারের শীকার হয় ? কেনো তাদের সমান ভাবে ভালোবাসায় ভাগ নেই ?? জানি না কবে বদলাবে এই মানসিকতা !😔😔😔 পুতুল শিখছে ওর মায়ের থেকেই ।ও ঠিক এই একই কাজ করতে পারে ! 😔😔😔😔😔😔 আমরা বড়ো মুখ করে তখনই বলতে পারবো "আমরাই নারী আমরাই পারি "...যখন এই ধরনের বিভেদ ঘুচিয়ে দিতে পারবো ।।
  • author
    অনিশা
    08 ஜூலை 2020
    অপূর্ব সুন্দর লেখা 👌 আমাদের সমাজে মেয়েদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত এই ঘটনা ঘটে চলেছে। এইভাবেই কিন্তু একজন মা তার ছেলেকে এক প্রকার স্বার্থপর হতে শেখাচ্ছে। এই ছেলেটিই বড় হয়ে হয়তো মা কে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দেবে। তখন ওই মেয়েটিই মায়ের সহায় হবে।
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    30 ஜூன் 2020
    পড়ার আগে মনে করেছিলাম যে করেই হোক ভুল বাহির করে পাচ তারা না দিয়ে তিন তারা দিবো।কিন্তু সত্যি বলতে পড়ার পর পাচ তারা না দিয়ে পারলাম না। যেখানে মায়েরা নিজেদের কষ্ট বুঝে না,নিজেরা মেয়ে হয়েও নিজেদের নিচু করে দেখাতে চায় সেখানে সেই নারী জাতি মাথা তুলতে পারবে সেটা আশা করা যায় না। ছেলেদের এই বলে আদর সোহাগ করে যে তারা চাকরি করে বাবা-মা কে দেখবে।কিন্তু সেই ছোট্ট উপেক্ষিত মেয়েটির আত্মার অভিশাপ কি সেই মায়ের লাগবে না? ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য স্যার। জানেন আমাদের দেশে "মিনা,রাজু,মিঠু"নামের একটি কার্টুন আছে যেটা দেখেই বড় হওয়া আমাদের।সেই কার্টুনের একটি পর্বে এই প্রেক্ষাপট নিয়ে বলা হয়েছিল।
  • author
    anwesha bisai
    11 ஜூலை 2020
    কি বললে , গল্পটির প্রতি যথাযথ বক্তব্য বলা হবে বুঝে উঠতে পারছি না !!! আমরা মেয়েরাই বোধহয় সব কিছুর মূলে !! ভাঙ্গা গড়া সবই তো আমাদের হাতে ,তাহলে কেনো পুতুলরা অবিচারের শীকার হয় ? কেনো তাদের সমান ভাবে ভালোবাসায় ভাগ নেই ?? জানি না কবে বদলাবে এই মানসিকতা !😔😔😔 পুতুল শিখছে ওর মায়ের থেকেই ।ও ঠিক এই একই কাজ করতে পারে ! 😔😔😔😔😔😔 আমরা বড়ো মুখ করে তখনই বলতে পারবো "আমরাই নারী আমরাই পারি "...যখন এই ধরনের বিভেদ ঘুচিয়ে দিতে পারবো ।।
  • author
    অনিশা
    08 ஜூலை 2020
    অপূর্ব সুন্দর লেখা 👌 আমাদের সমাজে মেয়েদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত এই ঘটনা ঘটে চলেছে। এইভাবেই কিন্তু একজন মা তার ছেলেকে এক প্রকার স্বার্থপর হতে শেখাচ্ছে। এই ছেলেটিই বড় হয়ে হয়তো মা কে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দেবে। তখন ওই মেয়েটিই মায়ের সহায় হবে।