pratilipi-logo প্রতিলিপি
বাংলা

শত পুত্র সম কন‍্যা

4.7
8774

#শত_পুত্র_সম_কন‍্যা# #রুমাশ্রী_সাহা_চৌধুরী# ওদের বাড়িতে পর পর দুটো মেয়ে হওয়ার পর যখন অন্নপূর্ণার জন্ম হয়েছিলো তখন ওর ঠাকুমা রাগ করে আর দেখতেই যাননি। গুষ্ঠীর ষষ্ঠীপূজো হয়েছিলো মায়ের,একেই ওর জেঠিমার ...

এখন পড়ুন
লেখক পরিচিতি

উত্তর বঙ্গের কন‍্যা আমি, ঘুম ভাঙতো পাখির ডাকে। এখন সকালে উঠেই ছোটাছুটি করি পেশার খাতিরে।ভোরের সূর্য দেখি স্কুলে যাবার পথে, কান পেতে শুনি পাখির ডাক।ভালো লাগে মাটির গন্ধ,বৃষ্টির শব্দ।পেশায় শিক্ষিকা, টুকটাক লিখি মনে যা আসে। ভালো লাগে হাসতে প্রাণখুলে।রুমাশ্রী সাহা চোধুরী

রিভিউসমূহ
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Uttam Dutta.
    28 ఫిబ్రవరి 2021
    অসাধারণ লিখেছেন। নারী পুরুষের ভেদাভেদ দূর করতে খুব তাৎপর্য পূর্ণ গল্প । এখনও এভাবেই কত। মানুষ যে পুত্র সন্তান কামনা করে তার ইয়ত্যা নেই । ভালো লাগলো ।
  • author
    Prasanna krishna
    28 ఫిబ్రవరి 2021
    এই টাইপের গল্প এখানে আরো অনেকেই লিখেছেন.... আমি জানি না এইসমস্ত fake feminist রা কেন.. মানে এদের সমস্যা কি... এই গল্পগুলোর ঘটনাপ্রবাহ সব এক... বাড়িতে অনেকগুলো মেয়ে জন্মানোর জন্য মায়ের ওপর ঠাকুমার রাগ... পরিবার আর সমাজের মেয়েটির পড়ালেখা বা স্বাবলম্বী হওয়া নিয়ে উদাসীনতা... এমন সময় হঠাৎ করে বাড়িতে ছেলে হয়... সে সবার আদর পেয়ে বান্দর হয়ে গিয়ে পড়াশোনায় ডাব্বা খায়... আর ওই মেয়ে পড়াশোনা করে IAS/IFS/IPS/IRS/SCIENTIST/ENGINEER/DOCTOR হয়.... সব একই... আরে ওপর থেকে না সবকিছুই ভালো মনে হয়... অবশ্যই equality থাকবে... তা নিয়ে কেউ কিছুই বলছে না... কিন্তু এমন গল্প লিখে আপনারা যে সমাজকে manipulate করার চেষ্টা করছেন.. তাতে কি লাভ... কাজ করুন...
  • author
    Abhijit Rana
    21 డిసెంబరు 2018
    ছেলে মেয়েদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক মা ।মেয়েরা কষ্টটা কি সেটা বুঝে বড় হয়।ছেলেরা চাইতে না চাইতেই পেয়ে যায় ।তারা চাওয়া পাওয়া, দেওয়া নেওয়ার, আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে ।তাই ফিরিয়ে দেওয়ার দায়টা তাদের কম হয়ে যাচ্ছে ।সেজন্য শত পুত্র সম কন্যা সত্যি হয়ে যায় ।
  • author
    আপনার রেটিং

  • মোট রিভিউ
  • author
    Uttam Dutta.
    28 ఫిబ్రవరి 2021
    অসাধারণ লিখেছেন। নারী পুরুষের ভেদাভেদ দূর করতে খুব তাৎপর্য পূর্ণ গল্প । এখনও এভাবেই কত। মানুষ যে পুত্র সন্তান কামনা করে তার ইয়ত্যা নেই । ভালো লাগলো ।
  • author
    Prasanna krishna
    28 ఫిబ్రవరి 2021
    এই টাইপের গল্প এখানে আরো অনেকেই লিখেছেন.... আমি জানি না এইসমস্ত fake feminist রা কেন.. মানে এদের সমস্যা কি... এই গল্পগুলোর ঘটনাপ্রবাহ সব এক... বাড়িতে অনেকগুলো মেয়ে জন্মানোর জন্য মায়ের ওপর ঠাকুমার রাগ... পরিবার আর সমাজের মেয়েটির পড়ালেখা বা স্বাবলম্বী হওয়া নিয়ে উদাসীনতা... এমন সময় হঠাৎ করে বাড়িতে ছেলে হয়... সে সবার আদর পেয়ে বান্দর হয়ে গিয়ে পড়াশোনায় ডাব্বা খায়... আর ওই মেয়ে পড়াশোনা করে IAS/IFS/IPS/IRS/SCIENTIST/ENGINEER/DOCTOR হয়.... সব একই... আরে ওপর থেকে না সবকিছুই ভালো মনে হয়... অবশ্যই equality থাকবে... তা নিয়ে কেউ কিছুই বলছে না... কিন্তু এমন গল্প লিখে আপনারা যে সমাজকে manipulate করার চেষ্টা করছেন.. তাতে কি লাভ... কাজ করুন...
  • author
    Abhijit Rana
    21 డిసెంబరు 2018
    ছেলে মেয়েদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক মা ।মেয়েরা কষ্টটা কি সেটা বুঝে বড় হয়।ছেলেরা চাইতে না চাইতেই পেয়ে যায় ।তারা চাওয়া পাওয়া, দেওয়া নেওয়ার, আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে ।তাই ফিরিয়ে দেওয়ার দায়টা তাদের কম হয়ে যাচ্ছে ।সেজন্য শত পুত্র সম কন্যা সত্যি হয়ে যায় ।